শনিবার, জুলাই ১১, ২০২০
প্রধান ম্যেনু

এক পাতায় কলারোয়ার সবকিছু

কলারোয়ার সাধক যবন হরিদাস

    ১৪৫০ খ্রীষ্টাব্দে যবন হরিদাস কলারোয়া থানার কেঁড়াগছি গ্রামে জন্মগ্রহন। তিনি নিন্মবর্ণের হিন্দু পরিবারের সন্তান। তার পিতার নাম মনোহর এবং মাতার নাম উজ্জলা। জন্মের পৃর্বে তিনি পিতৃহারা হন। জন্মের কিছুদিন পরেই মাতা মারা গেলে ব্রাক্ষন সম্প্রদায় কর্তৃক তিনি পরিত্যক্ত হন। হরিদাস বৈষ্ণ ধর্মের অন্যতম প্রচারক ছিলেন। বাল্যকালে হরিদাস মুসলমানদের কাছে লালিত পালিত হয়েছিল বলে তাকে যবন হরিদাস বলা হতো। ইতিহাসে জানা যায়, শ্রী চৈতন্যদের যখন বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেছিলেন, সেই সময় কেড়াঁগাছি গ্রামের যবন হরিদাসেরবিস্তারিত

কলারোয়ার জমিদার রাণী রাশমনি

অকৃতোভয়, তেজস্বিনী, নির্ভিক বাঙালী বীরঙ্গনা রাশমুন ১৭৭৩ সালে ভারতের পশ্চিম বাংলার ব্যারাকপুরে এক দরিদ্র ধর্মপ্রান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হরে কৃষ্ণ। এগারো বৎসর বয়সে কলকাতার ধনী জমিদার বসু পরিবারের একুশ বৎসরের যুবকের সঙ্গে রাশমনির বিবাহ হয়। স্বামী ৪৩ বৎসর বয়সে মারা যান। স্বামী মারা গেলে রাশমনি বিশাল সম্পত্তির অধিকারী হন এবং জমিদারী লাভ করেন। সুদূর এ অঞ্চলটি রাণ রাশমনির জমিদারীর অন্তর্ভূক্ত হওয়ার পিছনে একটা কিংবদন্তী পাওয়া যায়। রাশমনি খুব সুদক্ষা বুদ্ধিমতী ও একজনবিস্তারিত

সোনাবাড়ীয়া হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার অন্তর্গত কলারোয়া উপজেলাধীন ৬নং সোনবাড়ীয়া ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র সোনাবাড়ীয়া গ্রামে অবস্থিত। কলারোয়া উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ভারত বাঙলাদেশ সীমান্ত থেকে ৪ কিলোমিটার পূর্বে উত্তরে অত্র উপজেলার ৮নং কেরালকাতা, দক্ষিণে ৫নং কেড়াগাছি, পূর্বে ৯নং হেলাতলা ও পশ্চিমে ৭নং চন্দনপুর ইউনিয়ন এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সোনাবাড়ীয়া মঠ মন্দিরের সন্নিকটে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৭ খ্রী: ইতিহাস গত বিংশ শতকের শেষার্ধে যখন এলাকায় শিক্ষা বিস্তারের জন্যবিস্তারিত

পিরামিড আকৃতির প্রাচীন স্থাপত্য সোনাবাড়ীয়া মঠবাড়ি

সাতক্ষীরার কলারোয়ার সীমান্ত জনপদ সোনাবাড়িয়া গ্রাম। সবুজে ঘেরা ছোট্ট গ্রামটি সহজেই নজর কাড়ে প্রকৃতি দিয়ে। চোখে প্রশান্তি দেয় বনবীথি। সেই সঙ্গে মনকে কিছু সময়ের জন্য হলেও নিয়ে যায় মধ্যযুগে। ওই সময়ের অনেক নিদর্শন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সোনাবাড়িয়ায়। এসব পুরাকীর্তি দর্শনেও বোধ করি নিজের শিকড়ের খোঁজ পায় অনুসন্ধিত্সু মন। তবে পুরনো কোনো স্থাপনার জীর্ণ দালান যেন ওই সময়ের উপাখ্যান নিয়ে হাজির হয় কল্পনার আলোকে। জেলা সদর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে সোনাবাড়িয়া গ্রামে ভগ্নদশায় দাঁড়িয়ে শ্যামসুন্দর মঠবিস্তারিত

নিভৃত পল্লীর সেই ছেলেটি এখন জাতীয় দলের অধিনায়ক

দেশের দক্ষিণ জনপদের সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলাধীন নিভৃত পল্লী সোনাবাড়ীয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সাঈদ আল জাবির। তিনি খুবই সাধারণ একটি পরিবারের সন্তান। দুই ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছোট। সেই ছোট্ট থেকেই ছিল তার ভলিবলের নেশা। হাটি হাটি পা পা করে অনেক চেষ্টা ও ত্যাগ সাধনা পর এক সময় হয়ে গেলেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়। আজ সেই স্বপ্নের ভলিবল টিমে তিনিই অধিনায়ক। জাতীয় দলের অধিনায়ক সাঈদ আল জাবির এই আসরকে নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে বিশেষ সাক্ষাতকার দিয়েছেন। তারবিস্তারিত

সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ

কলারোয়া উপজেলা হতে ০৬নংসোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের দুরাত্ব ৭কি:মি: কলারোয়া উপজেলা থেকে ভ্যান,ইজিবাইক কিংবা সিএনজি মটরগাড়ী যোগে সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সোনাবাড়ীয়া বাজারে আসা যায়। উপজেলা হতে ইউনিয়নে যাতায়াত ব্যবস্থা: ইজিবাইক ভাড়া ১০টাকা(জন প্রতি) সিএনজি ভাড়ার হার ১০টাকা(জন প্রতি), মোটর সাইকেল ২০টাকা( জন প্রতি) ভ্যান -১০ টাকা সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন থেকে বিভিন্ন গ্রামে যাতায়াতের তথ্য: সোনাবাড়ীয়া বাজার থেকে ভাদিয়ালী ভ্যান ভাড়া ১০টকা(জনপ্রতি), ইজ়ি বাইক, নছিমন ১০টাকা (জ়নপ্রতি) সোনাবাড়ীয়া বাজার থেকে বড়ালী ভ্যান+করিমন ভাড়া ১০টাকা(জনপ্রতি) সোনাবাড়ীয়া বাজার থেকেবিস্তারিত

“জনপদের নাম কলারোয়া”

বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের সীমান্তবর্তী শস্য-শ্যামলা প্রশান্ত ছায়াঘেরা মনোরম পরিবেশে কলারোয়া উপজেলার অবস্থান। দেশের বহুল উচ্চারিত জনপদের নাম কলারোয়া। ১৮৫১ খৃীষ্টাব্দে সাতক্ষীরা মহকুমা সৃষ্টি হওয়ার পর মহকুমার সদর দফতর কলারোয়ায় স্থাপিত হয়।  শিক্ষা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে অধিক উন্নত এবং অগ্রগামী ছিল বিধায় কলারোয়াতেই সাতক্ষীরা মহাকুমার প্রধান কার্যালয় স্থাপিত হয়েছিল। তাই উপমহাদেশের ইতিহাসে কলারোয়ার স্থান অত্যন্ত গৌরবজনক। নবগঠিত মহাকুমার প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন জনাব আব্দুল লতিফ (পাবনা), যিনি পরবর্তীতে খানবিস্তারিত